ইস্তেগফারের ফজিলত
আস্তাগফিরুল্লাহ এর সম্পর্কে হাসান বসরী (রহ) যা বলেছেন তা জানলে আপনি সুবহানআল্লাহ বলতে বাধ্য হবেন !!
একদিন এক লোক হযরত হাসান বসরী(রহ) কাছে এসে আরজ করল
হযরত আমি বড়ই গুহানগার এমন আমল বলে দিন যেন আমার গুনাহ সমুহ মাফ হয়, হযরত হাসান (রহ) বললেন বেশী বেশী এসতেগফার পড়,
এরপর আর একজন এসে আরজ করল অনেক দিন যাবত বৃষ্টি হচ্ছেনা এমন আমল বলে দিন যাতে তা আমরা করলে আল্লাহ রহমতের বৃষ্টি বষন করবেন,
হযরত বললেন বেশী বেশী এসতেগফার পড়, এরপর আর একজন লোক আসল বলল হযরত আমি কজের দ্বারা জর্জরিত অনেক দিন যাবৎ চেষ্ট করছি কজ পরিশোধ করতে কিন্তু পারছি না
আপনি আমাকে এমন আমল এর কথা শিখান যাতে আমি কজ থেকে মুক্ত হতে পারি। হযরত বললেন এসতেগফার পড়।
এক বান্দা আসল হযুর আমার জন্য দোয়া করুন যেন আল্লাহ আমাকে ছেলে সন্তান দান করেন, হযরত তাকে শিখিয়ে দিলেন বেশী বেশী এসতেগফার কর।
এরপর আরেক বান্দা আসল বলল হযুর আমার বাগানে ফল যাতে বেশী হয় সে জন্য দোয়া করুন হযরত বলরেন তুমি বেশী বেশী এসতেগফার কর তাহলে তোমার বাগানে ফল বেশী বেশী হবে।
আর একজন আসল হযরত আমার বাড়ীতে যেন পানির যথাযথ ব্যবস্থা হয় সেজন্য দোয়া করুন হযরত জবাব দিলেন এসতেগফার কর।
এখন সে মজলিশে যারা ছিল তারা বড়ই হয়রান, যে হযরত সকল সমস্যার জন্য একটাই আমল এর কথা বলছেন এসতেগফার,
তখন একজন প্রশ্ন করল হযরত আপনি সকলকে সব ধরনের সমস্যার জন্য একই আমল বলে দিচ্ছেন এর কারন কি? তখন হযরত হাসান (রাঃ) কোরানের আয়াত পাঠ করলেণ
সুরা নুহ এর ১০ নং আয়াত থেকে ১২ নং আয়াত
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا
অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। [ সুরা নূহ ৭১:১০ ]
يُرْسِلِ السَّمَاء عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, [ সুরা নূহ ৭১:১১ ]
وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا
তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ত তি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন। [ সুরা নূহ ৭১:১২ ]
হযরত আমি বড়ই গুহানগার এমন আমল বলে দিন যেন আমার গুনাহ সমুহ মাফ হয়, হযরত হাসান (রহ) বললেন বেশী বেশী এসতেগফার পড়,
এরপর আর একজন এসে আরজ করল অনেক দিন যাবত বৃষ্টি হচ্ছেনা এমন আমল বলে দিন যাতে তা আমরা করলে আল্লাহ রহমতের বৃষ্টি বষন করবেন,
হযরত বললেন বেশী বেশী এসতেগফার পড়, এরপর আর একজন লোক আসল বলল হযরত আমি কজের দ্বারা জর্জরিত অনেক দিন যাবৎ চেষ্ট করছি কজ পরিশোধ করতে কিন্তু পারছি না
আপনি আমাকে এমন আমল এর কথা শিখান যাতে আমি কজ থেকে মুক্ত হতে পারি। হযরত বললেন এসতেগফার পড়।
এক বান্দা আসল হযুর আমার জন্য দোয়া করুন যেন আল্লাহ আমাকে ছেলে সন্তান দান করেন, হযরত তাকে শিখিয়ে দিলেন বেশী বেশী এসতেগফার কর।
এরপর আরেক বান্দা আসল বলল হযুর আমার বাগানে ফল যাতে বেশী হয় সে জন্য দোয়া করুন হযরত বলরেন তুমি বেশী বেশী এসতেগফার কর তাহলে তোমার বাগানে ফল বেশী বেশী হবে।
আর একজন আসল হযরত আমার বাড়ীতে যেন পানির যথাযথ ব্যবস্থা হয় সেজন্য দোয়া করুন হযরত জবাব দিলেন এসতেগফার কর।
এখন সে মজলিশে যারা ছিল তারা বড়ই হয়রান, যে হযরত সকল সমস্যার জন্য একটাই আমল এর কথা বলছেন এসতেগফার,
তখন একজন প্রশ্ন করল হযরত আপনি সকলকে সব ধরনের সমস্যার জন্য একই আমল বলে দিচ্ছেন এর কারন কি? তখন হযরত হাসান (রাঃ) কোরানের আয়াত পাঠ করলেণ
সুরা নুহ এর ১০ নং আয়াত থেকে ১২ নং আয়াত
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا
অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। [ সুরা নূহ ৭১:১০ ]
يُرْسِلِ السَّمَاء عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, [ সুরা নূহ ৭১:১১ ]
وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا
তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ত তি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন। [ সুরা নূহ ৭১:১২ ]


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন